মহাকাল বড় স্থির।
একটি চন্দন কাঠ পুড়ছে।
নীরব দহন।
ছাই হয়ে যাচ্ছে তার শরীর।
বাতাসে উড়ছে সুবাস।
সেই সুবাসে মগ্ন এক বিশাল বেদি।
মগ্ন তার অধিপতি।
তারা ঘ্রাণ নেয়। তারা বাঁচে।
চন্দন কেবল ফুরিয়ে যায়।
শোনা যায় এক শূন্যতার গান।
নক্ষত্রপুঞ্জ চোখ মেলে দেখে।
অন্ধকারে একটি মোম গলে যায়।
শিখাটি কাঁপছে।
নিজেকে পুড়িয়ে সে আলো ছড়ায়।
সেই আলোয় হাসে পাথরের প্রাসাদ।
হাসে প্রাসাদের ঈশ্বর।
মোমের বুকে জলছায়া।
বিন্দু বিন্দু মৃত্যু ঝরে পড়ে।
অস্তিত্বের এই তো নিয়ম।
যে জ্বলে, সে একা হয়।
এই দহন অনন্ত।
আত্মবিলোপের এক অন্ধ তৃষ্ণা।
ছাই আর গলিত মোমের মাঝে কোনো ঈশ্বর নেই।
আছে কেবল মহাকালের ক্ষুধা।
যে নিজেকে দেয়, সে শূন্য হয়।
যে নেয়, সেও একদিন ফুরোয়।
মৃত্যু সবার জন্যই এক।
পার্থক্য কেবল দহনের রূপে।
”এই লেখাটির মেধাস্বত্ত সম্পুর্ণ লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত, লেখকের অনুমতি ছাড়া এই লেখার অংশ বিশেষ বা সম্পূর্ণাংশ অন্য কোন মিডিয়াতে প্রকাশ করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ হিসাবে গন্য হবে।”


আপনার মূল্যবান মতামত দিন। আমরা আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় আছি! দয়া করে গঠনমূলক মন্তব্য করুন এবং কোনো স্প্যাম বা বিজ্ঞাপন লিংক শেয়ার করবেন না।