নামহীন
কোনো দাহ,
তখন
দেখি তোমার ‘রহমান’
নামের
কুয়াশা মেখে দাঁড়িয়ে
আছে
জিবরাঈলের ডানা।
হৃদয়ের
তন্ত্রিতে যে বাঁশি বাজে,
তা
আসলে এক অবিনশ্বর দয়ার গান;
আমরা
মৃত্তিকার আধারে জলছায়া খুঁজি,
অথচ
প্রতিটি নিঃশ্বাসে বয়ে চলে
এক
গোপন ঝরনার অলৌকিক সিলসিলা।
মহাকালের
প্রতিটি স্তরে সাজানো
এক
একটি নূরের দস্তরখান,
সেখানে
ক্ষুধার্ত আত্মার জন্য
বিছানো
আছে মাগফিরাতের নীল মখমল।
পাপের
কৃষ্ণগহ্বরে যখন
ভেঙে
পড়ে অহংকারের কাঁচ,
তোমার
দয়ার দরিয়া তখন
‘গফুর’
হয়ে মুছে দেয় দহন-চিহ্ন;
যেন
দগ্ধ ক্যাকটাস তার অন্তরে হঠাৎ
খুঁজে
পায় জান্নাতুল ফিরদাউসের হিমশীতল শিশির।
কপালের
চন্দনে যেখানে শেষ হয় মাটির সীমানা,
সেখানেই
শুরু হয় তোমার
আরশের
মহিমা—এক অতিন্দ্রীয় দহন।
আমরা
তো কেবল ছায়া,
আসল
আলো তো তোমার
ওই
আরশ-ই-আযমের দহনে;
চোখের
পাতায় যে নোনা পানি ঝরে,
তা কি শুধুই
পানি নাকি অশ্রু?
নাকি
তোমার নিয়ামতের সমুদ্রে
মিশে
যাওয়ার এক আধ্যাত্মিক দহন-যাত্রা?


আপনার মূল্যবান মতামত দিন। আমরা আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় আছি! দয়া করে গঠনমূলক মন্তব্য করুন এবং কোনো স্প্যাম বা বিজ্ঞাপন লিংক শেয়ার করবেন না।