আকাশের ওই নীল আঙিনায় মেঘের ভেলা ছোটে,
কার ইশারায় বাগান জুড়ে রঙিন কুঁড়ি ফোটে?
কে সাজালো পাহাড়-চূড়া তুষার-শুভ্র সাজে?
কার মহিমা ঝর্ণা হয়ে পাথর-বুকে বাজে?
পড়ো তোমরা, দেখবে চোখে রবের নিপুণ হাত,
তারই দয়ায় আঁধার চিঁরে আসে নতুন প্রভাত।
সূর্য ওঠে পুব আকাশে আলো ছড়িয়ে হাসে,
চন্দ্র মামা স্নিগ্ধ মায়ায় জোছনা বিলিয়ে আসে।
সাগর-তলে মুক্তো দোলে, রূপালী মাছের মেলা,
কার নির্দেশে ঢেউয়ের পালক চালায় এমন খেলা?
বিশাল মরু, গহন বন আর মাটির নিচের খনি,
সবাই গায় সেই এক আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের বাণী।
একটি বীজের গভীর তরে বিশাল বৃক্ষ থাকে,
কে বলো তো সেই প্রাণটারে এমন যত্ন রাখে?
ডালিম ফেটে লাল দানা সব সাজানো সারি সারি,
সেই কি তবে নয় আমাদের রবের কারিগরি?
পিঁপড়ে দেখো দল বেঁধে যায়, মৌমাছি গড়ে চাক,
সবার তরে আছে রিযিক—কেউ যায় না তো বাদ।
সপ্ত আকাশ সাজানো যেমনি নক্ষত্ররাজির মালায়,
সবই তো ভাই রবের বড় দান ও দয়ার খেলায়।
শীতের শেষে বসন্ত আসে, মরা ডালে জাগে প্রাণ,
পাখিরা গায় কিচিরমিচির কেবলই তাঁর গান।
আমরা মানুষ শ্রেষ্ঠ অতি, বিবেক দিলেন তিনি,
যাঁকে ছাড়া এক মুহূর্ত পথ চলতে না জানি।
আকাশ-জমিন, নদী-পাহাড় সবই তো তাঁর সৃষ্টি,
পড়লে নজর চারিপাশে কাটবে মনের দৃষ্টি।
এসো সবাই অবনত হই রবের সিজদাহ পায়,
সৃষ্টির এই বিস্ময় দেখে হৃদয় জুড়িয়ে যায়।


আপনার মূল্যবান মতামত দিন। আমরা আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় আছি! দয়া করে গঠনমূলক মন্তব্য করুন এবং কোনো স্প্যাম বা বিজ্ঞাপন লিংক শেয়ার করবেন না।