মানবপূজা বনাম আল্লাহর ইবাদত

মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রিয়
0

মানবপূজা বনাম আল্লাহর ইবাদত/সাহিত্য/ছোট গল্প

শহরের আকাশটা তখন মেঘের দীর্ঘশ্বাসে বেশ ভারী। 

অফিস থেকে ফেরার পথে ইট-পাথরের এই নির্দয় নগরীতে হাঁটছিলাম। চারপাশের কোলাহল। গাড়ির হর্ন। ছুটন্ত মানুষের যান্ত্রিক পদচারণা। কিন্তু আমার ভেতরে তখন এক অদ্ভুত নীরবতার শব্দ। আসরের ওয়াক্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। রোদের কান্নাগুলো ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমের দিগন্তে। কংক্রিটের ভাঁজে ভাঁজে তখন বিষণ্ণতার ছায়া। ঠিক তখনই তার সাথে দেখা

আরিফুল ভাই। আমার একসময়ের পুরনো সহকর্মী

অনেকদিন পর দেখা। সালাম আর শুভেচ্ছার পর তিনি একটু হাসলেন। তার সেই হাসিতে জোছনার স্নিগ্ধতা ছিল, আবার ছিল এক অজানা হাহাকার। তিনি চায়ের আমন্ত্রণ জানালেন। আমি না করতে পারলাম না। কিছু মানুষের সঙ্গ এড়ানো যায় না। তাদের সান্নিধ্য যেন আধ্যাত্মিক সুবাস ছড়ায়। আরিফুল ভাই তেমনই একজন। তার প্রতিটি কথা যেন রুহানিয়াতের এক একটা জীবন্ত পান্ডুলিপি

রাস্তার ধারের ছোট্ট চায়ের দোকান। মাটির ভাঁড়ে চা। গরম চায়ের ধোঁয়া উড়ছে। আমার মনে হলো, ওই ধোঁয়াগুলো যেন কোনো এক সুফি দরবেশের মতো ফানাফিল্লাহর ধ্যানে শূন্যে ঘুরপাক খাচ্ছে

আরিফুল ভাই চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তার সেই দীর্ঘশ্বাসে আমি যেন শুকনো মরুভূমিতে এক পশলা বৃষ্টির ঘ্রাণ পেলাম। তিনি নিচু স্বরে বললেন, “আরিফুল ভাই, আপনার সাথে অনেকদিন দেখা নেই। ভাবিনি এই কংক্রিটের জঙ্গলে এভাবে দেখা হয়ে যাবে। আলহামদুলিল্লাহ্‌।”

তার চোখের দিকে তাকালাম। সেখানে মারেফাতের গভীরতা। তিনি শান্ত স্বরে বলতে শুরু করলেন, “জানেন, এই দুনিয়াটা আসলে খোদাভীরুদের জন্য নয়। এখানে পদে পদে কাঁটা। পদে পদে নফসের সাথে যুদ্ধ। আমরা দুনিয়ার মানুষকে যেভাবে পূজা করি, তার হাজার ভাগের এক ভাগও যদি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাকে ভালোবাসতাম, তাহলে আমাদের জীবনে এত দুঃখ-দুর্দশা থাকতো না। সব ব্যথা তিনি নিজ রহমতে আহসান করে দিতেন।”

কথাগুলো ছোট। কিন্তু তীরের মতো তীক্ষ্ণ। আমার কালবের ভেতরে গিয়ে বিঁধলো

আরিফুল ভাই পেশায় একজন প্রকৌশলী। বেশ নামকরা এক কর্পোরেট হাউজে অনেক বড় পদে আছেন। দুনিয়াবি দৃষ্টিতে যাকে বলে চরম সফল এক মানুষ। কিন্তু তার ভেতরের রুহটা যেন এক খাঁচায় বন্দী পাখির মতো ছটফট করে। তিনি আপাদমস্তক একজন ইসলাম-অনুরাগী মানুষ। তার হৃদয়টা মদিনার প্রেমে বিভোর। কিন্তু তাকে কাজ করতে হয় এমন এক পরিবেশে, যেখানে পুঁজিবাদের ইমারতগুলো অহংকারে আসমান ছুঁতে চায়। এই কর্পোরেট কালচারের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে তার বড্ড কষ্ট হয়

তিনি বলতে লাগলেন তার অফিসের কথা। তার চোখের তারায় তখন এক অদ্ভুত বেদনার তাজাল্লি। তার অফিসের যিনি বড় কর্তা, বিগ বস, তাকে অফিসের অন্য সহকর্মীরা যেভাবে তোষামোদ করে, তা দেখলে আরিফুল ভাইয়ের আত্মায় রক্তক্ষরণ হয়। তিনি বলছিলেন, কীভাবে মানুষ কেবল সামান্য দুনিয়াবি স্বার্থের জন্য, একটা প্রমোশন বা একটু সুনামের জন্য নিজের মেরুদণ্ডকে আরেকজন মানুষের সামনে বাঁকিয়ে ফেলে। শুধু তাই নয়, অফিসের পরিবেশের কথাও বললেন তিনি। নারী সহকর্মীদের চলাফেরা, তাদের বেহায়াপনা—এসব কিছু আরিফুল ভাইয়ের কাছে শুধুই পোশাকের অভাব নয়, বরং রুহের মৃত্যু বলে মনে হয়। তিনি এটাকে নির্লজ্জ বেলেল্লাপনা হিসেবেই দেখেন। কারণ, তিনি জানেন, যে হৃদয়ে লজ্জার নূর নেই, সে হৃদয় আসলে মৃত

চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে আরিফুল ভাই এবার যে গল্পটা শুরু করলেন, তা শোনার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। তার মুখাবয়বের অভিব্যক্তি আমি যদি আপনাদের দেখাতে পারতাম! তার কপালের ভাঁজে ভাঁজে তখন যেন ইমানের এক তীব্র যন্ত্রণার ছাপ

মানবপূজা বা তোষামোদ কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তার একটা উদাহরণ দিই আপনাকে,” তিনি বলতে লাগলেন

গত রমজান মাসের কথা। রহমতের মাস। নাজাতের মাস। যে মাসে প্রতিটি মুমিনের হৃদয় ইশকে ইলাহিতে সিক্ত থাকে। সেই মাসে আরিফুল ভাইয়ের অফিসে এক অদ্ভুত ঘটনার জন্ম হয়

অফিসের বিগ বস সেদিন অফিসে এসেছেন। নিয়ম হলো, বস যেদিন অফিসে থাকেন, সেদিন সব সহকর্মীকে নিয়ে তিনি একসাথে ইফতার করেন। কর্পোরেট দুনিয়ায় এটাকে বলা হয় 'টিম বন্ডিং'কিন্তু এর আড়ালে লুকিয়ে থাকে বসকে খুশি করার এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা। সেদিনও সবাই উন্মুখ হয়ে ছিল। কখন বস আসবেন। কখন তার সাথে বসে এক টেবিলে ইফতার করা যাবে

সময় গড়িয়ে যাচ্ছে। সূর্য তার সমস্ত আলো গুটিয়ে নিয়ে পশ্চিমের আকাশে অস্ত যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রোজাদারের জন্য সে এক অদ্ভুত অপেক্ষার প্রহর। সারাদিনের ক্লান্তি, তৃষ্ণা আর ক্ষুধার পর এক ফোঁটা পানির জন্য যখন নফস হাহাকার করে। কিন্তু মুমিন তো কেবল রাব্বুল আলামিনের আদেশের অপেক্ষায় থাকে

ইফতারের সময় ঘনিয়ে এলো। আজানের ধ্বনি বাতাসে ভেসে আসার অপেক্ষায়

কিন্তু বস তখনো তার নিজস্ব কেবিনে। তিনি কেবিনের ভেতরেই একা একা ইফতার সেরে নিলেন। তারপর ধীরস্থিরভাবে মাগরিবের নামাজ আদায় করলেন। নামাজ শেষে যখন তিনি কেবিন থেকে বের হলেন, তখনো অফিসের বাইরে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা

বস কেবিন থেকে বেরিয়ে অবাক। তিনি দেখলেন, কনফারেন্স রুমের বিশাল টেবিল জুড়ে ইফতারি সাজানো। আর তার সমস্ত সহকর্মীরা চুপচাপ বসে আছে। কেউ ইফতার স্পর্শ করেনি। অথচ ইফতারের সময় পার হয়ে গেছে বেশ কিছুক্ষণ আগে

বস ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন, “কী ব্যাপার? তোমরা ইফতার করোনি কেন? সময় তো পার হয়ে গেছে।”

সহকর্মীরা একগাল হেসে, পরম ভক্তির সাথে উত্তর দিলো, “স্যার, আমরা আপনার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আপনি আসবেন, তারপর একসাথে ইফতার করবো।”

আরিফুল ভাই যখন কথাগুলো বলছিলেন, তার গলা ধরে আসছিল। ঘটনাটি সাধারণ দৃষ্টিতে হয়তো খুব মামুলি। কর্পোরেট দুনিয়ায় এমন তোষামোদ হরহামেশাই ঘটে। কিন্তু আরিফুল ভাইয়ের কাছে, একজন প্রকৃত মুমিনের কাছে, এই ঘটনাটি ছিল এক ভয়াবহ অশনিসংকেত

তিনি আমার দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকালেন। তার চোখে তখন কোনো জল ছিল না, কিন্তু আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম তার হৃদয় থেকে অনুতপ্ত অশ্রুর এক নূরানী ঝরনা বয়ে যাচ্ছে। তিনি বললেন, “বুঝতে পারছেন ভাই? তারা ইফতার করেনি। তারা আল্লাহর হুকুমকে স্থগিত করে রেখেছে একজন মানুষের জন্য! ইফতারের মতো একটা ইবাদত, যা সময়মতো করা সুন্নাত, যা নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এত তাগিদ দিয়েছেন, সেই ইবাদতের চেয়ে তাদের কাছে অফিসের বসের সন্তুষ্টি বড় হয়ে গেল!”

আমার শিরদাঁড়া দিয়ে একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। সত্যিই তো! আমরা কী করছি?

আরিফুল ভাই বলতে লাগলেন, “আল্লাহর আদেশের চেয়ে যখন একজন রক্ত-মাংসের মানুষের উপস্থিতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়, তখন কি আর ইমান অবশিষ্ট থাকে? আমরা তো মুখে বলি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'—আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। কিন্তু কাজে? কাজে আমরা আমাদের বসকে মাবুদ বানিয়ে নিয়েছি। আমাদের ক্যারিয়ারকে মাবুদ বানিয়ে নিয়েছি। আমাদের নফসের খাহেশাতকে মাবুদ বানিয়ে নিয়েছি।”

আমি চুপ করে শুনছিলাম। আমার চারপাশের শহরের কোলাহল তখন যেন জাদুর মতো থেমে গেছে। আমি যেন দেখতে পাচ্ছিলাম, রমজানের সেই সন্ধ্যায় অফিসের সেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে রহমতের ফেরেশতারা এসে ফিরে যাচ্ছে। কারণ সেখানে মানুষ আল্লাহর জন্য নয়, একজন বসের জন্য ক্ষুধার্ত বসে ছিল

আরিফুল ভাইয়ের কণ্ঠে তখন এক অদ্ভুত বিষাদ। তিনি বললেন, “আহলুল বাইতের কথা ভাবুন তো ভাই। কারবালার সেই তপ্ত মরুভূমির কথা ভাবুন। ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তার পরিবার। তৃষ্ণায় তাদের বুক ফেটে যাচ্ছিল। ফোরাত নদীর পানি তাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তারা চাইলে এজিদের কাছে মাথা নত করে দুনিয়ার সব আরাম-আয়েশ পেতে পারতেন। কিন্তু তারা তা করেননি। তারা রক্ত দিয়েছেন, জীবন দিয়েছেন, কিন্তু বাতিলের সামনে, কোনো মানুষের সামনে মাথা নত করেননি। আর আজ? আমরা সামান্য একটা চাকরির জন্য, একটু প্রমোশনের জন্য, বসের একটা হাসিমুখ দেখার জন্য আল্লাহর বিধানকে হাসিমুখে কুরবানি করে দিচ্ছি!”

তার এই কথাগুলো যেন আমার আত্মায় চাবুকের মতো আঘাত করলো। কারবালার সেই তৃষ্ণার্ত কাফেলার আত্মত্যাগ আর আজকের এই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের স্বেচ্ছায় বরণ করা দাসত্বের মধ্যে কত বিশাল পার্থক্য! তারা দ্বীনের জন্য তৃষ্ণার্ত থেকে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। আর আমরা দুনিয়ার এক নশ্বর মানুষকে খুশি করার জন্য ইফতারের পানি পান করা থেকে বিরত থাকছি

এটা তো শুধু তোষামোদ নয়। এটা এক প্রকার সূক্ষ্ম শিরক। মানবপূজা

আমরা কখন যে আমাদের স্রষ্টার আহ্বানকে ভুলে মানুষ-নির্ভর হয়ে উঠেছি, তা আমরা নিজেরাই টের পাইনি। আমরা মানুষকে আমাদের খোদা বানিয়ে নিচ্ছি। আমাদের খেয়ালখুশিকে, আমাদের প্রবৃত্তিকে খোদা বানিয়ে নিচ্ছি। কুরআনুল কারীমে তো আল্লাহ তায়ালা বলেছেনই—"তুমি কি তাকে দেখেছ, যে তার প্রবৃত্তিকে ইলাহ রূপে গ্রহণ করেছে?" (সূরা আল-ফুরকান: ৪৩)

আজকের এই কর্পোরেট দুনিয়া যেন সেই আয়াতের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। এখানে সবাই দৌড়াচ্ছে। অন্ধের মতো। ইশকে ইলাহির কোনো জায়গা এখানে নেই। এখানে শুধু নফসের রাজত্ব

আরিফুল ভাই তার চায়ের শূন্য ভাঁড়টা টেবিলে রাখলেন। তার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, সেখানে এক গভীর প্রশান্তি, আবার একই সাথে এক সীমাহীন ক্লান্তি। তিনি যেন এই দুনিয়ার বাসিন্দা নন। তিনি যেন ভুল করে এই যান্ত্রিক সভ্যতায় চলে আসা কোনো এক অচেনা পথিক

যাই ভাই,” তিনি উঠে দাঁড়ালেন। “অনেক কথা বলে ফেললাম। হয়তো বুকের ভেতর পাথর জমে ছিল। আপনাকে দেখে একটু হালকা হলাম। দোয়া করবেন। যেন এই ফিতনার যুগে আল্লাহ ইমান নিয়ে কবরে যাওয়ার তৌফিক দেন।”

আমি শুধু মাথা নাড়তে পারলাম। আমার গলা দিয়ে কোনো স্বর বের হলো না। আমি তার কথায় এবং ব্যথায় গভীর সমবেদনা আর সম্মতি জানিয়ে তাকে বিদায় দিলাম

তিনি ভিড়ের মাঝে হারিয়ে গেলেন। আমি দাঁড়িয়ে রইলাম সেই চায়ের দোকানের সামনে। সন্ধ্যা নেমে এসেছে পুরো শহরে। ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোগুলো জ্বলে উঠেছে। রাস্তার ধুলোগুলো বাতাসে উড়ছে। আমার মনে হলো, আরিফুল ভাইয়ের প্রতিটি পদক্ষেপের সাথে যেন এক একটা নূরের রেখা এই শহরের বুকে আঁকা হয়ে যাচ্ছে

আমি হাঁটতে শুরু করলাম। গন্তব্য আমার বাসা। কিন্তু আমার ভেতরের যাত্রাটা যেন অন্য কোথাও শুরু হয়ে গেছে। আমার প্রাক্তন সহকর্মীর কথাগুলো আমার মাথার ভেতর প্রতিধ্বনিত হতে লাগলো। আমরা বোধহয় সত্যিই দিন দিন আমাদের স্রষ্টাকে ভুলে যাচ্ছি। আমরা আমাদের অস্তিত্বকে বিলীন (ফানা) করার কথা ছিল আল্লাহর প্রেমে। অথচ আমরা ফানা হচ্ছি দুনিয়ার চাকচিক্যে, বসের তোষামোদে, নফসের পূজায়

আকাশের দিকে তাকালাম। সেখানে কোনো তারা নেই। ধোঁয়ায় ঢাকা শহরের আকাশ বড্ড কৃপণ। কিন্তু আমার কালবের ভেতরে তখন এক অদ্ভুত আলোড়ন। চোখের কোণে কি এক ফোঁটা পানি জমলো? হয়তো

আমি শুধু বিড়বিড় করে বললাম, "হে আল্লাহ, আমাদের অন্তরকে এই দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে দিন।"

রাতের বাতাসটা হঠাৎ করেই খুব স্নিগ্ধ হয়ে উঠলো। যেন দূর থেকে ভেসে আসছে কোনো এক অদেখা মুয়াজ্জিনের আজানের ধ্বনি। আমি হাঁটতে লাগলাম। বিষণ্ণ, অথচ এক অদ্ভুত প্রশান্তির রেশ বুকে নিয়ে

আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, আপনার জীবনের সেই 'বিগ বস' কে, যার জন্য আপনি অজান্তেই আপনার স্রষ্টার ডাককে অপেক্ষায় রাখছেন?

”এই লেখাটির মেধাস্বত্ত সম্পুর্ণ লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত, লেখকের অনুমতি ছাড়া এই লেখার অংশ বিশেষ বা সম্পূর্ণাংশ অন্য কোন মিডিয়াতে প্রকাশ করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ হিসাবে গন্য হবে।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন। আমরা আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় আছি! দয়া করে গঠনমূলক মন্তব্য করুন এবং কোনো স্প্যাম বা বিজ্ঞাপন লিংক শেয়ার করবেন না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
3/related/default